Archive for the ‘Uncategorized’ Category

তুমি হীনা এক একটি মুহূর্ত
অনেকগুলো নীরব আকাঙ্ক্ষার
মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হয়,
তুমি কি সেটা বুজো কিংবা বুজতে পারো?
যদি না পারো কুমারী
তবে তুমি আমাকে টোকা দিয়ে দেখো,
আমি ভেঙ্গে চৌচির হয়ে,
আমার সর্বস্বটুকু উড়িয়ে দিয়ে
এসে নীরবে তোমার চরণতলে
চুপটি করে ঠাই নেবো।

তখনও কি এই আমাকে
তুমি হীনা একটি মুহূর্ত অপেক্ষায় থেকে যেতে হবে?

২৪০ সেকেন্ডের ঘুমে উন্মোচন হয়
জীবন নাট্যের একটি অসমাপ্ত অধ্যায়;
এ নাটক কাব্যিক নয়, সমৃদ্ধ সত্য-
তুমি একবার বিশ্বাস করেই দেখো ।

২২-০১-২০১৫

Advertisements

মাননীয় ঈশ্বর,

আপনি হেরেছেন,
বাংলাদেশ জিতেছে।

সত্যকে স্বীকার করা এখানে গুজব,
মিথ্যাকে স্বীকার করা মাথা নোয়ানো মর্যাদা।

জনতার সংঘবদ্ধ সংগ্রাম এখানে হয় দলীয় ষড়যন্ত্র,
অথচ রাজনৈতিক রাহাজানি আখ্যায়িত হয় রাষ্ট্রীয় গনতন্ত্র।

মাননীয় ঈশ্বর,

শক্তির বিনাশ হয় না! তবে এটাও সত্যি যে বাংলায় শক্তির উৎপত্তিস্থল দালালকেন্দ্রিক, ধর্মান্ধ;
শক্তির উৎপত্তিস্থলে মনুষ্যত্বহীন নপুংসক ক্ষমতা, চাটুকারিতায় যারা চেটে নেয় বাংলার সম্ভ্রম,
রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট হয় তাদের আত্ম ধর্ষনবোধ সম্পন্ন দর্শন তত্ত্বে।

মাননীয় ঈশ্বর,

বিকারগ্রস্থ মিথ্যাচারে আমাদের বোধশক্তি অতিষ্ঠ,
রাজনীতিবিদগণের প্রলাপ এখন উচ্চমার্গীয় ভাষাশৈলী,
সুশীল সম্প্রদায় এখানে দলীয় দালাল,
বুদ্ধিজীবীগন রাষ্ট্রীয় আবর্জনা।
চেতনাবিদগন কিবোর্ডে অতিশয় ব্যস্ত বক্তব্য সংস্কার-প্রকাশে,
অশিক্ষিত জনশক্তিকে সন্ত্রাসবাদে লেলিয়ে করানো হচ্ছে কর্মসংস্থান,
আর বাংলার সাংবাদিক ভাইয়েরা নিজেরাই ব্যস্ত নিজেদের নিরাপত্তা ঢাল অটুট রাখতে।

হায় ঈশ্বর,
‘৭১ এ অর্জিত
এই কেমন মাইরি রাষ্ট্র?

আত্মপ্রকাশের সামনে দাঁড়িয়েছিলে তুমি।
তুমি মানে- সামাজিক নারী,
মানে সংসার, সন্তান, বাড়িভাড়া, মরিচ, পেঁয়াজ,
মানে দশটা-পাঁচটা , বিকেলে ক্রিসেন্ট লেক
নয়তো বেইলি রোডে নাগরিক নটনটি,
শুধু অভিনয়,
শুধু কথার মুখোশ, চমৎকার, বনেদি মসৃণ।
তুমি- মানে সুস্থতার নামে এক জটিল জীবন,
শাড়ি, টিভি, ভিসিআর, ।
দুচারটে গোপন চুম্বনে গাঁথা পুরোনো প্রেমের স্মৃতি,
মানে সুঘ্রান, মোহময় সেক্স- এ‍্যাপিল,
মানে সুস্থতা, মূলত যা শোষণ,
মানে বেঁচে বর্তে আছি,
এই তো, ভালই…
তুমি- মানে প্রতারণা, শোকেসে সাজিয়ে রাখা কার্ল মার্কস, লেনিন,
মানে সভামঞ্চে শ্রমিক শ্রেনীর পক্ষে তেজী শব্দাবলী,
মানে চার ইঞ্চি ফোমে গা ডুবিয়ে
নগ্ন স্তনে হাত, চোখে স্বপ্ন-
ব্যালকনিসহ বাড়ি,
ব্যক্তিগত দ্রুতযানে স্মৃতিসৌধ দেখে আসা।
আত্মপ্রকাশের পথ আগলে দাঁড়িয়েছিলে তুমি।
তুমি- মানে কারাগার, বন্ধনের সোনালি শিকল,
মানে মধ্যরাতে টলোমলো পৃথিবীর ঘরে ফেরা নয়
সুগন্ধি মাতাল মাংশে ডুবে যাওয়া উষ্ণ বিছানা।
তুমি- মানে ঝলোমলো সুখ, হিরক-ব্যর্থতা,
মানে ছিন্নমূল দুপুরের ফুটপাথে ডালরুটি নয়
আলস্যের মেদ মেখে বেড়ে ওঠা শোভন জীবন,
ঘুষ, কালো টাকা, .মানে ককটেল পার্টি,
মানে বন্ধুর পত্নির কাঁধে হাত, আবডালে ছোঁয়াছুঁয়ি,
মানে কন্যার স্বামীর সাথে মা উধাও
ব্লু- ব্লু-
তবু, রমনীরা সতিসাধ্বি, পত্নিপরায়ন স্বামী।
সুস্থতার ভূমিকায় ভাঁড়েরা মানিয়ে যায় অবিকল,
কেবল বাড়তে থাকে রক্তচাপ, মুত্রে চিনি আর
নিদ্রাহীন রাত্রির প্রহর-
কোথাও সুস্থতা নেই।
এ সময়ে শোষণের সুশোভন নামই সুস্থতা-
তুমি সেই সুস্থতার নির্বোধ প্রতীক।
আত্মপ্রকাশের সামনে তুমি দাঁড়িয়েছিলে।
(হোটেল স্মরনী, নওগাঁ)

তোমাকে লেখার নেশা,
ধর্ষিত হয় নির্ঘুম রাত্রির অবয়বে।
বারবার প্রতি ক্ষনে গুপ্তবেশে,
তোমাকে আঘাত হানে অকথ্যকথন।
তোমাকে গড়ার নেশা বুদ হয়,
অতৃপ্তিকর মস্তিস্কে,
বারবার প্রতিক্ষনে অব্যক্ত প্রনয়ে,
তোমাকে চুর্ন করে আত্ম-প্রলাপ।
তোমার অবাঞ্ছিত লাঞ্চনায়,
কবর খুঁড়েছে জাগতিক সকল প্রবঞ্চন।

তুমি শীতল, অতন্দ্র দাসত্ব।
তুমি শাপগ্রস্ত ঊল্লাস, নিথর সম্মোহ।

২০১৬ইং

স্বার্থহীন ভালোবাসার খোঁজে,
আমরা একদিন অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছিলাম।

যে যার স্বার্থ নিয়েই গৃহে ফেরে,
যে যার স্বার্থ বুঝে নিয়েই
মেতে ওঠে রাত্রির জৈবিক উল্লাস।
যে যার স্বার্থ নিয়েই
কড়া নাড়ে ভালোবাসার ভোরে,
ফিরে পেতে চায়,
রাত্রির যৌবন জ্বলসে ওঠা নিষ্পাপ অভিব্যক্তি।

তুমি কি জানতে,
তাঁর রাত্রি পেরিয়ে কিভাবে সকাল হয়?
বিনিদ্র চোখে নির্লিপ্ত চাহনি
আর দুঠোটে শব্ধহীন প্রলাপ,
তাঁর ভালোবাসা ঘুমোয় অন্য শরীরে,
আর জেগে সে পাহারা দেয় অশান্ত,
অবাধ্য অনূভুতিগুলোকে।

তুমি কি জানো তাঁর সেই রাত্রি যাপনের,
নিরব কান্না কতদূর কতটা নিস্তব্ধতা,
ছড়িয়ে দিতো তারা জ্বলা আকাশে?

স্বার্থহীন ভালোবাসার খোঁজে,
এই আমরাই একদিন অঙ্গীকারবদ্ধ থেকেছিলাম।

১১ জুন, ২০১৭

সে জানতে চেয়েছিলো,
“তোমার ভালোবাসার রঙ কি?”

প্রত্যুরে তোমার উত্তর লিখেছিলে,
“হা হা হা, অজস্র রঙে রাঙ্গানো আমার ভালোবাসা,
কোন রঙে তুমি পূর্ণ করতে পারবে আমায়?”

সে অতঃপর বলেছিলো-
“যেকোনো চটা রঙ ব্যতীত সব রঙেই
তোমার পূর্ণতাকে রাঙ্গিয়ে দিতে পারবো।
চটা রঙ বেশ্যাপল্লীর আভিজাত্য, তোমার ভেতরের
সেই আভিজাত্যকে নিংড়ে রঙধনুর ঘর বাঁধবো,
সেই ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে আসর জমবে রঙিন প্রজাপতির।
রঙ বেরঙের প্রতি ভালোবাসা
তোমাকে চুম্বনে সাজাবে মহিমান্বিত রাত,
আর আমিই হবো,
সেই রাতের একমাত্র উৎসব অধিকারী।”

২১/০৪/২০১৮

আমাকে রেপ করো,
কোনো ডাক্তারি চেক আপ হবে না,
হবে না কোনো প্রকার মামলা-মোকাদ্দমা,
কথা দিচ্ছি-
আমিই তোমাদের নোংরা
যৌনতার মাধ্যম হবো,
আমার যৌবন হবে,
তোমাদের কুৎসিত চাহনির খোরাক।

আমাকে পুনরায় রেপ করো,
কোনো প্রকার বাধাত্মক প্রলাপ
বকবো না,
সমাজে নিজেকে দিয়েই প্রচার করবো-
আমার স্বাধীন চেতা মন, আমার দৈহিক ভাঁজের ঢেউ,
তোমাদের যৌনাকাংখা জাগ্রত করার ঐচ্ছিক দলিল।
বিনা সঙ্কোচে ইয়াবা বড়ির মতই
আমাকে গ্রোগাসে টেনে নিতে পারো,
তোমাদের বহুগামী অণ্ডকোষের তান্ডব মঞ্ছে।
আমি সঁপে দিবো আমার নিস্বার্থ যৌবন,
তোমাদের সভ্য মাদক উল্লাসে।

আমি আদিম, মহা প্রলয়োংকারী নেশা,
মানব সৃষ্টি সূচনার প্রাম্ভব হতেই,
আমার শারীরিক যৌবন তোমাদের
মদ্যপ জলসা ঘর।

হাজার বছরের আরাধ্য সাধন তীর্থ,
আমার এই জৈবিক শরীর,
যেথায় বাস করে সৃষ্টিকর্তার
নিকৃষ্টতম ঘৃণ্য অস্তিত্ব!

আহমেদ বাপ্পি

হেলুসিনেট যুবক