Archive for November, 2014

Science does not allow any limit on your thoughts to think. Every Science fiction thoughts could turn into a Real Science but Every Real Science could never be a Science Fiction of your thoughts. The fiction has innovative power to give you a strength for something new invention. So keep thinking to make your Mind more active rather than to make your brain more usable.  

মানুষ সামাজিক জীব, অনেক গুলো সামাজিক জীবের সমনয়ে গঠিত হয় একটি সমাজ তথা রাস্ট্র। সমাজে বাস করতে গিয়ে একজন মানুষের সাথে অপর একজন মানুষের সাথে যে সম্পর্ক তৈরি হয় তাই তাঁকে সামাজিক জীব করে তোলে। এই সম্পর্ক হতে পারে ভালবাসার-ভাললাগার, হিংসার, লালসা-কামনা, ব্যাথা-বেদনা অথবা দুর্নীতি প্রভৃতি; এক কথায় সব ধরনের আবেগপূর্ণ সম্পর্কই মানুষের সামাজিক জীব হয়ে ওঠার মুল শর্ত।

আবেগ সম্পূর্ণ একটি অবচেতন মনের অংশ বলেই আমার ধারণা। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না বা বিশ্বাস করতে চাই না যে, মানুষের মস্তিষ্ক ও মন দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন। দুটোর মধ্যে মুল পার্থক্য এখানেই যে, মন সম্পূর্ণ আলাদা একটি সত্তা; অপরদিকে মানব মস্তিষ্ক একটি দেহের অংশ বিশেষ মাত্র।

{A. The Brain of itself does not work. The brain does not think and yet man thinks. So behind the brain there must be a Thinker”

B. “The man had two minds; One Conscious and one un-conscious or sub-conscious. The Conscious mind being the one that he used of all the time in his self-conscious state and the sub-conscious mind being the storehouse of all his conscious thoughts, as well as the seat of his memory.”

[Ref: The Science of Mind by Ernest S. Holmes] }

brain-activity1

মানুষের (Homo Sapiens)আত্মা অথবা মন (Soul)সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারেঃ ১. সচেতন মন (Conscious Mind), (২) অবচেতন মন (Sub-conscious), (৩) অচেতন মন (Unonscious mind)

অবচেতন মনে আমাদের যে আবেগ/অনুভূতি নিঃসৃত হচ্ছে তাই আমরা সচেতন অবস্থায় প্রকাশ করে থাকি। শুধু তাই নয়, অবচেতন মনকেই মুলত সকল কাজকর্ম বা চিন্তা ভাবনার উৎস হিসেবে ধরা যায়। আমি কি বলতে চাই, কি লিখতে চাই, কি দেখতে চাই অথবা কি পড়তে চাই সবই সিধান্ত হচ্ছে অবচেতন মন থেকে, অতঃপর সেই সিধান্তকে আমরা বাস্তবে রুপান্তর করছি সচেতন অবস্থায়। আমাদের যে ভাবনার জগত তা “অবচেতন মন” (Sub-concsious Mind) এবং ভাবনার যে বহিঃপ্রকাশ করছি তাই হচ্ছে “সচেতন মন” (Conscious Mind)। উদাহরন স্বরুপঃ কোন মেয়েকে দেখার পরে একটি ছেলের মনে যে ভাললাগা, আকর্ষণ জন্ম নেয় তাই একটা সময়ে ভালবাসায় হয়তো রূপান্তর হয় এবং এই রুপান্তরের শুরুটা ঘটে ছেলেটির অবচেতন মনে, অবচেতন মন যদি ভালবাসার অনুভুতি না জাগ্রত করতো তবে সচেতন মনে ছেলেটি কোনদিনই সেই ভালবাসার কথা মেয়েটির সম্মুখে প্রকাশ করতে পারতো না। ঠিক অপরভাবে কোন মেয়ের প্রতি যদি কোন ছেলের লালসা-কামনা জেগে উঠে তবে তা রুপান্তরিত হতে পারে ধর্ষণে কিংবা ইভ টিজিঙের মাধ্যমে। এই রুপান্তরিত অনুভূতি (লালসা-কামনা) সম্পন্ন হচ্ছে অবচেতন মনে আর রুপান্তরিত হওয়ার ফলে যে ফলাফল (ধর্ষণ / ইভ টিজিং) আসতেছে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে সচেতন মনে। তাই বলা বাহুল্য রাখে না যে, এই অবচেতন মনই আমাদের কে পরিচালনা করে আসতেছে মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই। অতএব, মস্তিষ্ক নয়, অবচেতন মনকে আমরা ধরে নিতে পারি আমাদের জীবনের কান্ডারী। এই অবচেতন মনেই বাসা বেঁধে আছে সব রকমের ভালোবাসা, ব্যাথা বেদনা, হাসি-কান্না ইত্যাদি সকল অনুভূতি কিংবা আবেগ।

এবার মূল প্রসঙ্গে আসা যাক; সম্পর্ক-হীন সমাজঃ সম্পর্কহীন সমাজ আমরা তাকেই বলবো যে সমাজে মানুষের সাথে মানুষের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। একটি একটি মানুষের জীবন হবে এক একটি সম্পর্কহীন জীবন। ছোট্ট কথায় বলা যেতে পারে, আবেগহীন জীবনই সম্পর্কহীন জীবন। তাই সম্পর্কহীন জীবনের মৌলিক শর্ত হতে হবেঃ 

১. মানুষ সামাজিক জীব নয় অসামাজিক জীব হয়ে বসবাস করবে

২. মানুষের জীবনে কোন প্রকার আবেগ অথবা অনুভূতি থাকবে না।

অসামাজিক জীব হয়ে ওঠার অর্থ এই নয় যে মানুষ হত্যা-খুন, ধর্ষণ, ঝগড়া-ফ্যাসাদ ইত্যাদি নানা অপকর্মে লিপ্ত হবে। এখানে অসামাজিক জীব বলতে আমরা বুজবো সম্পর্ক বিহীন জীব। আর সম্পর্কহীন জীবের প্রথম ধাপ হলো আবেগহীন অথবা অনুভূতিহীন হয়ে পড়া, অর্থাৎ অবচেতনে মনে কোন প্রকার আবেগ জড়িত থাকতে পারবে না। এখন অনেকেই বলে উঠতে পারি, আবেগহীন মানুষ তো মানুষ নয়, রোবট হবে !!! কিন্তু তা ভুল, কেননা রক্ত মাংস দিয়ে আবেগহীন যে গঠন সৃষ্টি হবে তা কোনদিনই রোবট হতে পারে না। সম্পর্কহীন জিবনে তথা সমাজে আমরা যা করে বেড়াবো, হতে পারে তা ভালোবাসা, হতে পারে তা শত্রুতা কিংবা অনেক কিছুই, কিন্তু এই সব কিছুই হতে হবে আবেগ অথবা অনুভূতিহীন। এক কথায় সম্পর্কহীন জীবন মানেই মন থেকে আবেগের বিসর্জন কিংবা অনুভূতি সমূহের বিলুপ্তি।

মন (Soul/Mind) হচ্ছে মানুষের একটি ভিন্ন জৈবিক সত্তা, ভিন্ন কেননা একে ছোঁয়া যায় না, ধরা যায় না, দেখা যায় না কিন্তু শুধু মাত্র অনুভব করতে পারি আমরা। এই অনুভবটাই প্রমাণ করে মন বলে একটি সত্তা মানুষের মধ্যে বিদ্যমান। এই অদৃশ্য সত্তাকে (মন) নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমেই সম্পর্কহীন মানুষ হওয়া সম্ভব এবং তার জন্যে প্রয়োজন হবে মলিকিউলার সাইকোফিজিওলজি (Molicular Psychophysiology) সম্পর্কিত জ্ঞ্যান, অতঃপর মাইন্ড কন্ট্রোল ডিভাইস (Mind Control Device);

{“Scientists can now remotely turn genes on and off inside a mouse using nothing but the power of their minds. Based on this technology, they’re now working on new ‘in-built’ medical treatments that allow a patient’s brainwaves to identify pain or an impending epileptic seizure and automatically release medication into the body.”

[Ref: Mind-controlled transgene expression by a wireless-powered optogenetic designer cell implant; Nature Communications 5, Article number: 5392]}.

একটি মাইন্ড কন্ট্রোল ডিভাইস দিয়ে আমরা নিজেরাই আমাদের শরীরের কিছু জীনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করতে পারবো। এই ডিভাইস সহায়তা করবে মানুষের বিভিন্ন মস্তিষ্ক তরঙ্গ চিহ্নিত করতে যারা কিনা বিভিন্ন অনুভূতির সাথে জড়িত কেননা অবচেতন মন আমাদের যেভাবে যে দিকে পরিচালনা করবে তার প্রভাব আমাদের নিউরন সেলে গিয়ে সেই পরিবর্তন আনবে। বিজ্ঞানের কল্যাণে আজ অনেক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে বাস্তবে রুপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। কে জানতো একজন মানুষ তার মস্তিষ্ক দিয়ে অন্য আরেকটি মস্তিষ্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে ? হ্যাঁ এটিও এখন করা সম্ভব এবং বিজ্ঞান আমাদের সেই সময়ের দিকেই ধাবিত করে চলেছে প্রতিনিয়ত।

[{“1. The team, which includes researchers from Harvard Medical School’s Beth Israel Deaconess Medical Center, the Starlab Barcelona in Spain, and Axilum Robotics in France, has announced the successful transmission of a brain-to-brain message over a distance of 8,000 kilometres.

2. The second time scientist have succeeded in creating the brain-to-brain communication. Scientists in the US have successfully linked the brains of six people, allowing one person to control the hands of another using just their thoughts.”

[Ref: 1. Conscious Brain-to-Brain Communication in Humans Using Non-Invasive Technologies; PLoS ONE 9(8): e105225

2. A Direct Brain-to-Brain Interface in Humans; PLoS ONE 9(11): e111332”]

উপরের উল্লেখিত উদাহরন দুটিই বলে দিচ্ছে, মানুষ একদিন তার চিন্তা-ভাবনার নিয়ন্ত্রন নিজেরাই পরিচালনা করতে যাচ্ছে। অতএব সম্পর্কহীন জীবন তথা সম্পর্কহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। একে কল্পকাহিনী ভেবে বসার কোন অবকাশ নেই। আমি চাই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কহীন হবে কেননা একটি সম্পর্কহীন জীবন মানেই একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন জীবন আর একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন জীবন পেতে কে না চায় বলুন?

Advertisements